রাজশাহীর তানোরে রোজা না রেখে মসজিদে আযান দেয়ার অভিযোগে তিনজনকে পিটিয়ে জখম করার অভিযোগ উঠেছে।
বুধবার (১১মার্চ) উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) লালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
জানা গেছে,উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) লালপুর গ্রামের মৃত নমির উদ্দিনের পুত্র মনিরুল ইসলাম(৪৫)। গত বুধবার ইফতারের পর মসজিদে মাগরিবের আযান দেন মনিরুল।কিন্ত্ত রোজা না রেখে আযান দেয়ার অভিযোগ তুলে একই গ্রামের আকাশ, আতাবুর ও সাঈদ মিলে মনিরুলকে বেধড়ক মারপিট করেন। এসময় মনিরুলকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন ১০ মাসের অন্তঃস্বত্তা তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ভাই সাদিকুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,এ সময় আকাশ, আতাবুর ও সাঈদ তাদের বেধড়ক মারপিট করে। তাদের মারপিটে মনিরুলের মাথা ফেটে যায় এবং অন্তঃসত্ত্বা শামসুন্নাহারের পেটে লাথি দিলে সে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে। এছাড়াও সাদিকুলকে ব্যাপক মারপিট করা হয়। প্রতিবেশীরা এসে তাদের বিধস্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।তারা এখানো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এবিষয়ে শামসুন্নাহার বলেন,তারা তার পেটে আঘাত করার পর থেকেই পানি ভাঙছে এবং তিনি শারিরীকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছেন।গর্ভের সন্তান বাঁচবে কি না এ নিয়ে তিনি মানুষিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সাদিকুল ইসলাম বলেন, তারা বিএনপি করেন।কিন্ত্ত এবার জামায়াতের ভোট করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তারা তাদের মারপিট করেছে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, তিনি রোজা ছিলেন,মিথ্যা অভিযোগ তুলে তারা তাদের এভাবে মারপিট করেছে।
বুধবার (১১মার্চ) উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) লালপুর গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে। এদিকে খবর ছড়িয়ে পড়লে এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।স্থানীয়রা ঘটনার সঙ্গে সম্পৃক্তদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি করেছেন।
জানা গেছে,উপজেলার তালন্দ ইউনিয়নের (ইউপি) লালপুর গ্রামের মৃত নমির উদ্দিনের পুত্র মনিরুল ইসলাম(৪৫)। গত বুধবার ইফতারের পর মসজিদে মাগরিবের আযান দেন মনিরুল।কিন্ত্ত রোজা না রেখে আযান দেয়ার অভিযোগ তুলে একই গ্রামের আকাশ, আতাবুর ও সাঈদ মিলে মনিরুলকে বেধড়ক মারপিট করেন। এসময় মনিরুলকে উদ্ধারে এগিয়ে আসেন ১০ মাসের অন্তঃস্বত্তা তার স্ত্রী শামসুন্নাহার ও ভাই সাদিকুল ইসলাম।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান,এ সময় আকাশ, আতাবুর ও সাঈদ তাদের বেধড়ক মারপিট করে। তাদের মারপিটে মনিরুলের মাথা ফেটে যায় এবং অন্তঃসত্ত্বা শামসুন্নাহারের পেটে লাথি দিলে সে সেখানেই লুটিয়ে পড়ে। এছাড়াও সাদিকুলকে ব্যাপক মারপিট করা হয়। প্রতিবেশীরা এসে তাদের বিধস্ত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা হাসপাতালে নিয়ে যায়।তারা এখানো হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।
এবিষয়ে শামসুন্নাহার বলেন,তারা তার পেটে আঘাত করার পর থেকেই পানি ভাঙছে এবং তিনি শারিরীকভাবে অনেক দুর্বল হয়ে পড়েছেন।গর্ভের সন্তান বাঁচবে কি না এ নিয়ে তিনি মানুষিকভাবে ভেঙে পড়েছেন।
সাদিকুল ইসলাম বলেন, তারা বিএনপি করেন।কিন্ত্ত এবার জামায়াতের ভোট করার অপরাধে তাদের বিরুদ্ধে মিথ্যা অভিযোগ তুলে তারা তাদের মারপিট করেছে।
মনিরুল ইসলাম বলেন, তিনি রোজা ছিলেন,মিথ্যা অভিযোগ তুলে তারা তাদের এভাবে মারপিট করেছে।
আলিফ হোসেন